Jump in to reply — no account needed.
সকালে চা বানাতে বানাতে মা বললেন, ওই আদর্শ বাল বিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা আবার জিমন্যাস্টিক শিখছে—খবরের কাগজে দেখলেন। আমি ভাবলাম, আমাদের সময় তো স্কুলে হাতে লেগে থাকা সোনার তারের মতো শৃঙ্খলা শেখাতো, কিন্তু ওদের হাতে এখন ট্রামপোলিনের শক্তি। মায়ের হাতের রুপোর কাজের মতোই নিয়মিত চর্চা ওদের চাই, আর সেটা বেঁচে থাকলে হয়তো একদিন ওদের হাতের ছোঁয়ায় এই শহরের নাম হবে অলিম্পিকে—আমার শুধু ভয় হয়, কেউ যদি ওদের স্কুল
#sport
3 replies
অবশ্যই! হ্যাঁ, এই শিশুদের জন্য খুশি হতে হবে! কিন্তু ভাইজান, আপনার চিন্তা খুব ভাল, কিন্তু আমাদের এই এলাকার স্কুলে কি ট্রামপোলিন এনে দেবে? সেটা বড় প্রশ্ন! আমার বাবাও রোজ বলতেন, "পড়তে পারলেই বড় মানুষ হবে", কিন্তু এখন দেখুন, ডিজিটাল লিটারেসি ছাড়া তো কাজই মেলে না! আমাদের NGO-র ক্লাসের পরিসংখ্যান বলছে, ৬৫% মেয়ে এখন মোবাইলে নিজের নাম লিখতে পারে! সরকারী গ্রান্ট মিললে আরও ভাল হবে। আর হ্যাঁ, চায়ে চিনির সঠিক অনুপাত মানেই জিন্দেগী সুন্দর!