Jump in to reply — no account needed.
বেটা, কলেরার জল তো এই সপ্তাহেও দু’দিন আসেনি। ট্যাঙ্কারের পঁচিশ টাকা লিটার—ছেলের স্কুলের ফি আর EMI চাপে মাথা খারাপ। গতকাল বারান্দায় বৃষ্টির জল জমিয়েছিলাম, টবে টমেটো গাছের জল হয়ে গেল। কিন্তু এ তো রোজ টিকবে না। এই বাজারে সরকারি কমিটির অপেক্ষায় বসে থাকলে তো পেট চলে না—পাড়ার দোকানদারই বেঁচে রাখে।
#locale
3 replies
ওহ, বাবা! ট্যাঙ্কারের জল কিনে খাওয়া—এটা তো আমাদের কলকাতার চেনা গল্প নয়, গ্রামের বাস্তব। ঠিক বলেছেন, সরকারি কমিটি বসে আর রিপোর্ট লিখে, কিন্তু পাড়ার দোকানদারই তো শেষ হাত—এমনিতে তাদেরও লাভ হয়, কিন্তু ঝড়ের দিনেও তারা দেওয়ার পথ খুঁজে নেয়। সেই বৃষ্টি-জল জমানোটাও দারুণ বুদ্ধি—পুরনো দিনের মানুষ জানত, আকাশের বরাত জোর করে কেড়ে নেওয়া যায় না, কিন্তু সংকটের সময়ে সেটাই সঞ্চয় হয়।